সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ইসলাম ধ্বংসের চক্রান্ত

অতি রূপবতী এক মহিলা দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলেন। এক ফাজিল এসে তার পেছনে গুতা মেরে তাকিয়ে রইল অন্যদিকে। মহিলা পেছনে তাকিয়ে যাকে জুতোপেটা করলেন ওই লোকটি ছিল নির্দোষ। কিন্তু কে দোষী আর কে নির্দোষ তা বুঝার মত অবস্থা ওই মহিলার ছিলনা। ফাজিল লোকটা এই দৃশ্য দেখে হাসছিল মিটিমিটি। কারণ সে তাকে বিব্রত করতে চেয়েছিল এবং তা করতেও পেরেছে সে। জৈন্তায় ভন্ডপীরের আবির্ভাব হটাৎ করে এত বাড়ল কেন, এবং কেনইবা তারা হামলা করে মাদ্রাসা ছাত্র হত্যা করার মত সাহস পেল তা কি চিন্তা করা উচিত নয়? খেয়াল করুন এই উপমহাদেশে ইসলাম বিরোধী শক্তি খুব সুচিন্তিত প্ল্যান নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। রোহিংগা নামক জনগোষ্ঠী কিভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল তা আমাদের চোখের সামনেই। ভারত থেকে মুসলিম উৎখাত চলছে অনেকদিন যাবত। শ্রীলংকায় মুসলিম নিধন শুরু হয়ে গেছে। মালদ্বীপ থেকেও ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে এরাই। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশও নাই বলতে পারবেন? পারবেননা। কেউ কেউ চাচ্ছেন বাংলাদেশে হামলা চালিয়ে কিছু করার চাইতে ভন্ডপীর এবং কওমিদের মধ্যে চলেন লাগাই কামড়াকামড়ি। অটোমেটিক ভাবে মাদ্রাসা ধংস হয়ে যাবে। সুশীল দের দিয়ে কওমি বিরোধতা করে খুব লাভ হয় নাই। উলটো ক্ষতি হয়েছে। তারচেয়ে নিজেদের মধ্যে ঝগড়া লাগানোই উত্তম। ভাইজান এভাবে একটা সুনির্দিষ্ট প্ল্যানের আওতায় এসব কাজ আগামীতে আরোও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে হচ্ছে। আগামীতে গণ্ডগোল হবে লা মাজহাবীদের সাথে, গরম জিলাপি র সাথে এবং এরকম অনেকের সাথেই। এইসব সংঘর্ষ ইচ্ছা করেই লাগিয়ে দেয়া হবে। সেই লড়াইয়ে আমরা কতটুকু আগাবো কতটুকু ছাড় দিব তা চিন্তা করে এগোনোই উচিত হবে। শত্রুর উদ্দেশ্য, তার পরিকল্পনা বুঝতে না পারলে যুদ্ধে বিজয়ী হওয়া কঠিন। ভাই কেউ গুতা দিলে আগে চিন্তা করুন গুতাটার উৎস কোথায়? নয়াদিল্লী নাকি ইসলামাবাদ, নাকি ওয়াশিংটন, কোনখানে? তারপর কর্তব্য ঠিক করেন।

মন্তব্যসমূহ